বরিশাল নগরীতে অনুমোদন বিহীন চারতলা ভবন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। নগরীর ২৯ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ইছাকাঠি তেতুলতলা এলাকার বাসিন্দা মৃত হাজী ফজলে আলী মিয়ার ছেলে মো: আমানুল হক এর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন স্থাণীয়রা।
আর এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ২০১৩ সালের শুরুর দিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের কোন প্রকার অনুমোদন না নিয়েই মো: আমানুল হক মোট ৮ শতাংশ জমিতে ওই ৪ তলা ভবনটি নির্মান করেন। কোন প্রকার অনুমোদন না থাকায় ওই ভবনে বসবাসকারী ১৬টি পরিবার রয়েছে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে।
এমনটাই জানিয়েছেন নাম প্রকাশ না শর্তে ওই ভবনে বসবাসকারী একাধিক ভাড়াটিয়ারা। আর আমানুল হক কোন অদৃশ্য শক্তির বলে অনুমোদন বিহীন এই ভবন তৈরী করেছেন তা নিয়ে প্রশ্ন স্থাণীয়দের। শুধু তাই নয় যে জমিতে তিনি ভবন নির্মান করেছেন তার অর্ধেক জমি বরিশাল জেলা পরিষদের আর এমন তথ্যই নিশ্চিত করেন ২৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ আহম্মেদ।
এই বিস্তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভবন মালিক আমানুল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার ভবন নির্মানের অনুমোদন সিটি করপোরেশনে প্রক্রিয়াধীন আছে। অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন থাকলে কিভাবে ভবন তৈরী করলেন এমন প্রশ্নে তিনি সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার একাধিক চেষ্টা অব্যাহত রাখেন।
তবে তার ভবন যে জেলা পরিষদের জমিতে এ বিষয়ে তিনি বলেন, জেলা পরিষদ যখন চাইবে তখন আমি প্রয়োজনে আমার ভবন ভেঙ্গে দিবো। অপরদিকে অভিযুক্ত আমানুল এর ছোট ভাই সাবেক কাউন্সিলর হুমায়ন কবির এর মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি নিয়ে অবগত।
এবং আমি একাধিকবার তাকে ভবন নির্মানের অনুমোদন এর বিষয়ে তাগাদা দিলেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেনি। তবে ২৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ আহম্মেদ জানান, অভিযুক্ত আমানুলকে একাধিকবার সিটি করপোরেশনের ভবন নির্মানের অনুমোদন নেয়ার জন্য বলা হলেও তিনি বিষয়টি সবসময়ই এড়িয়ে চলতেন।