বরিশাল ॥ বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থীর পাশাপাশি তার ছোট ভাইও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।
যদিও এটি কোন বিবাদ নয়, রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর ও বরিশাল মহানগরের সভাপতি মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের ছোট ভাই মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের নির্বাচন কমিশন থেকে ওই মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতৃবৃন্দ।
আর সতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে সৈয়দ এছহাক এর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার কথা জানিয়েছেন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির।
মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরের সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা জাকারিয়া হামিদী জানান, দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি নির্বাচন কমিশন থেকেও মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন, সেইসাথে তার ভাই মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়েরও নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
এখানে কোন বিবাদ নেই জানিয়ে বরিশাল মহানগরের সেক্রেটারি বলেন, এটা স্বাভাবিক বিষয়। আপনারা অবগত আছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাহাঙ্গীর আলমের প্রার্থীতা বাছাইতে গিয়ে বাতিল হয়েছে, তার মায়েরটা বৈধতা পেয়েছে। বরিশালে এ ধরনের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। কারন অসম্ভবকেও যে এখন সম্ভব করা হয়।
আর তাই নির্বাচনী কৌশল হিসেবে মনোনীত প্রার্থীর পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের অপর নেতার মনোনয়ন সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে আগামী ৮ মে বরিশালে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হবে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর ও বরিশাল মহানগরের সভাপতি মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
এ নিয়ে নগর কমিটির সেক্রেটারি বলেন, প্রার্থী বর্তমানে পূর্ব নির্ধারিত কিছু অনুষ্ঠানে ঢাকায় রয়েছেন। ৮ মে বিকেলে নগরের গড়িয়ার পার থেকে দল এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা প্রার্থীকে নিয়ে বরিশাল শহরে আসবেন। এসময় প্রার্থ নগরবাসীর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
তবে সূত্রে জানাগেছে, ওইদিন বরিশাল নগরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা প্রার্থীর পক্ষে শোডাউন দিয়ে নিজেদের অবস্থার জানান দিবেন। ওই দিন প্রার্থীকে বিশাল মোটর শোভাযাত্রা সহকারে বরণ করবেন দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা।