বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বরিশাল নগরীতে বেড়েছে বহিরাগতদের আনাগোনা। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নির্বাচনের একদিন প্রেস ব্রিফিং করে বহিরাগতদের বরিশাল ছাড়তে বলেন। বহিরাগতরা গাঁ ঢাকা দিলেও আজকে ভোর থেকে ভোটকেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে বরিশাল নগরীর প্রত্যকেটি কেন্দ্রে অবস্থান নিতে শুরু করে বহিরাগতরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে হাতপাখার বহিরাগত। বেলা বাড়তে থাকলে হাতপাখার বহিরাগতদের সঙ্গে অপর প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
প্রায় অধিকাংশ কেন্দ্রে এ দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে পড়ায় বরিশাল নগরজুড়ে উত্তেজনাকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়া লাঙ্গল মার্কার মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস তার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে হাতাহাতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাংবাদিকদের। তিনি অভিযোগ করেন, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান রুপন একই অভিযোগ করে বলেন, তার এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না এবং ভোটারদের কেন্দ্রে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করছে।
এছাড়া বেশিরভাগ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ দিচ্ছেন সাংবাদিকদের কাছে।
প্রসঙ্গত, ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে বরিশাল শহরে মোতায়েন করা হয়েছে ১০ প্লাটুন বিজিবি, তিন সেকশন কোস্টগার্ড, র্যাবের ১৬টি টিম, পুলিশ-এপিবিএন-ব্যাটালিয়ান আনসারের ৪৩টি টিম। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এবং নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা ভোটের দুই দিন পর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
অন্যদিকে, নির্বাচন উপলক্ষে ৭২ ঘণ্টার নিষিদ্ধ করা হয়েছে মোটরসাইকেল। এছাড়া ভোটের দিন সীমিত থাকছে যন্ত্রচালিত যান চলাচল। নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে সব ধরনের মিছিলের ওপরও। সবার ভোট দেওয়ার সুবিধার্থে ভোটের এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে সাধারণ ছুটি।