স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. আব্দুস ছালাম বলেন, সেতুর উচ্চতা কম হওয়ায় আমরা গ্রামবাসী আপত্তি জানিয়েছি। কারন সাগর এবং খালের পানি বেড়ে যাওয়ার সময় এই সেতুর নীচ দিয়ে কোন ট্রলার কিংবা নৌযান চলাচল করতে পারবে না। তাদের দাবী মাঝ খানের স্পানটি আরো ১০ ফুট উচু করে নির্মান করা হলে জেলে ট্রলার এবং নৌচলাচলা স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পারবে।
সেতু নির্মান কারি প্রতিষ্টান আমির ইঞ্জনিয়ারিং করপোরেশনের মালিক মো. আমির হোসেন জানান, এলজিইডির নকশা অনুযায়ী আমি কাজ শুরু করি। মাঝখানের স্পানটি নীচু হওয়ার কারনে স্থানীয় এবং পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের আপত্তির কারনে কাজ স্থগিত করে দেওয়ায় আমি কাজ বন্ধ রেখেছি।
এলজিইডি তালতলীর প্রকৌশলী রাসেল ইমতিয়াজ জানান, নৌচলাচল স্বাভাবিক রাখতে সেতুর মাঝখানের স্পানটি নির্মান বন্ধ রাখা হয়েছে। নৌচলাচল স্বাভাবিক রাখতে স্টিলের স্ট্রাকচার করে এটির উচ্চতা আরো ৮-১০ ফিট বাড়াতে হবে। এটি নির্মানের জন্য নতুন নকশা এবং সেনাবাহিনীর টিম প্রয়োজন। ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের একটি দল সরেজমিন পরিদর্শন করে গেছেন। মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে কাজ শুরু করা হবে।