বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
বাবুগঞ্জে সহস্রাধিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, চারা ও সার বিতরণ । বাবুগঞ্জে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা, চ্যাম্পিয়ন রহমতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দুই যুগেও সংস্কার হয়নি সিংহেরকাঠি-ছোট মীরগঞ্জ সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ। বাবুগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের চেক বিতরণ । বরিশালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬  বাবুগঞ্জে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্মৃতি সংঘ ও পাঠাগারের উদ্যোগে হাডুডু ও লাঠিখেলা অনুষ্ঠিত । জামায়াত-শিবিরের ৩ নেতা এবি পার্টিতে যোগদান, বাবুগঞ্জে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা- সমালোচনার ঝড়। তসলিম উদ্দীনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাল বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। বাবুগঞ্জে অসহায় নারীর পাশে মানবতার হাত, ঘর নির্মাণে ঢেউটিন প্রদান বাবুগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ঐচ্ছিক তহবিলের চেক বিতরণ

‘তখনও টের পাচ্ছিলাম না যে আমি নায়িকা’

প্রতিবেদকের নাম / ১১ সময় দৃশ্য
আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

ঢালিউডের চিরসবুজ অভিনেত্রী পূর্ণিমা। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পর্দায় নিজের অভিনয়ের জাদুতে মুগ্ধ করে রেখেছেন দর্শকদের। তবে সিনেমার রঙিন দুনিয়ায় পা রাখার আগের সময়টা মোটেও সহজ ছিল না তার জন্য। বিশেষ করে শুটিংয়ের আগে নিজেকে তৈরি করার সেই দিনগুলো আজও তার স্মৃতিতে উজ্জ্বল।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর অজানা এক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এই নায়িকা। পূর্ণিমা জানান, নায়িকা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরও শুরুতে তিনি অনুভব করতে পারেননি যে তিনি একজন চিত্রনায়িকা হতে যাচ্ছেন। শুটিং শুরুর আগে তাকে কঠোর গ্রুমিংয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল।

সেই অভিজ্ঞতার কথা মনে করে পূর্ণিমা বলেন, ‘আমাকে যখন নায়িকা হিসেবে সিলেক্ট করা হলো, তখনও না আমি টের পাচ্ছিলাম না যে আমি নায়িকা। চিত্রনায়িকা যেটা বলে। গ্রুমিং পার্টটা ছিল সিনেমা শুটিং হওয়ার ঠিক ২০ দিন আগে থেকে। সকাল ৬ টায় উঠতাম। সূর্য যখন উঠবে তখন সানের দিকে ডিরেক্ট তাকিয়ে থাকতে বলেছে ১০ থেকে ১৫ মিনিট।’

কিন্তু কেন সাত সকালে সূর্যের দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে হতো? এর পেছনের কারিগরি কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। পূর্ণিমার কথায়, ‘যে যতক্ষণ পারো তাকিয়ে থাকো কারণ হচ্ছে সিনেমা যখন আমরা ডে লাইটে কাজ করি আমাদের চোখে অনেকগুলো বোর্ড দেওয়া হয়। ওই বোর্ডের আলোটা যাতে নিতে পারি আমার চোখ যাতে ছোট না হয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সো ওইটা যখন আরও ডাবল দেয় তখন হচ্ছে চেহারাটা ব্রাইট হয়। রিফ্লেকশন বোর্ডে কিন্তু চোখ ছোট হয়ে আসে নরমাল কোনো মানুষ তাকাতে পারবে না। তো ওটা যাতে আমি নিতে পারি এবং আমার চোখ যাতে ছোট ছোট না হয়ে আসে এবং ডায়ালগ বলতে গিয়ে যাতে চোখে পানি না চলে আসে, তো এভাবে করে সূর্যের দিকে তাকিয়ে থেকে প্র্যাকটিস করতাম।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com